এখন পর্যন্ত ইন্টারনেটে যত ওয়েবসাইট আছে তার মধ্যে ৪৩.২% ওয়েবসাইট ওয়াডপ্রেস দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। তাহলে বুঝতেই পারছেন যে ওয়ার্ডপ্রেস কতটা জনপ্রিয়।
আপনিও যদি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তাহলে আজকের পোস্ট এর মাধ্যমে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করার স্টেপ বাই স্টেপ গাইড পেয়ে যাবেন।
২০০৩ সালে অফিশিয়াল লঞ্চ হওয়া ব্লগিং প্লাটফর্ম হিসেবে ওয়াডপ্রেস এখনকার সময়ে জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে সবার শীর্ষে।
এই ওয়ার্ডপ্রেসে রয়েছে ১০ হাজারেরও বেশি থিমস এবং প্লাগইনস। বর্তমানে এই ওয়ার্ডপ্রেস মাল্টিপারপাস ব্লগিং প্লাটফর্ম।
তাই আজকে আমি আপনাদেরকে লাইভ একটাও ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট তৈরি করে দেখাবো। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।
ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করার স্টেপ বাই স্টেপ গাইড ২০২২
আপনার ব্লগিং ওয়েবসাইট থেকে শুরু করে যে কোন বিজনেস বা এজেন্সির ওয়েবসাইট তৈরি করতে ওয়ার্ডপ্রেস আপনাকে সহায়তা করবে।
কারণ ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করা যায় মাত্র কয়েক ক্লিকেই।
আপনার কোন কোডিং জানা লাগবে না কোন টেকনিক্যাল জ্ঞান থাকার প্রয়োজন হবে না।
উপরে তো দেখে নিয়েছেন যে ওয়ার্ডপ্রেস তৈরি করতে কি কি লাগে।
তাহলে চলুন আমরা প্রস্তুতি নিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করার স্টেপ বাই স্টেপ গাইড দেখে নিই।
১. ডোমেইন হোস্টিং কিনুন
ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরি করতে হলে প্রথমে আপনাকে ডোমেইন হোস্টিং কিনতে হবে।
তাহলে ডোমেইন এবং হোস্টিং কি এটা তো আপনাদের কমবেশি জানার কথা। তবুও আমি সংক্ষেপে বলে দিচ্ছি।
ডোমেইন হচ্ছে একটা সাইটের এড্রেস। এখানে আইপির ব্যাপার স্যাপার আছে আমি আপনাদেরকে এত জটিল করে বুঝাবো না।
শুধু এটা মনে রাখবেন ডোমেইন হচ্ছে একটা সাইটের নাম বা ওয়েব এড্রেস। যেমন lifetech24.com, google.com ইত্যাদি।
আর হোস্টিং হচ্ছে একটা ওয়েবসাইটের যত ফাইল, যত মিডিয়া, যত ইমেজ, যত ওয়েব এড্রেস, যত পোস্ট, যত আর্টিকেল, যত পেজ সবকিছু স্টোর করার জন্য যে সার্ভার তাকে হোস্টিং সার্ভার বলে।
আপনি যখন একসাথে ডোমেইন হোস্টিং অর্ডার করবেন তখন অটোমেটিক্যালি আপনার হোস্টিং এর সাথে ডোমেইন কানেক্ট হয়ে যাবে।
আর যদি আলাদা আলাদা করে ভিন্ন কোম্পানি থেকে ভিন্ন ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনেন তাহলে আপনাকে মেনুয়ালি ডোমেইন-হোষ্টিং কানেক্ট করতে হবে।
২. হোস্টিং এর সাথে ডোমেইন কানেক্ট করুন
এবার আপনার কাজ হচ্ছে আপনার হোস্টিং এর সাথে ডোমেইনটি কানেক্ট করতে হবে। এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে হোস্টিং এর সাথে কেনো ডোমেইন কানেক্ট করতে হয়?
ঠিক আছে, আমরা সবাই জানি যে হোস্টিং হচ্ছে একটা সার্ভার যেখানে মিডিয়া, ফাইল, ওয়েব এড্রেস সহ সব কিছু জমা থাকে।
এখন যাতে কেউ আপনার ডোমেইনটি লিখে সার্চ করার সাথে সাথে আপনার সার্ভারে যত ফাইল আছে সবকিছু অনলাইনে দেখা যায় সেজন্য আপনার ডোমেইনটি হোস্টিং এর সাথে কানেক্ট করে নিতে হবে।
এখানে আমি যেভাবে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করার স্টেপ বাই স্টেপ গাইড দেখাচ্ছি আমার মনে হয় আর কেউ এভাবে দেখায় নি।
হোস্টিং এর সাথে ডোমেইন কানেক্ট করার স্টেপ বাই স্টেপ গাইডঃ
প্রথমে আপনার হোস্টিং প্যানেলে লগইন করুন।
এরপর একাউন্ট>একাউন্ট ডিলেইলস
এবার আপনার হোস্টিং এর নেমসার্ভার পেয়ে যাবেন।
সরাসরি ডোমেইন এর এডমিন প্যানেলে লগইন করুন। এবং হোস্টিং থেকে যে নেম সার্ভার গুলো দিয়েছে সেগুলো ডোমেইন নেম সার্ভারে যুক্ত করুন।
এ ব্যাপারে লিখে বুঝাতে গেলে আপনাদের বুঝতে অসুবিধা হবে। তাই আপনারা ইউটিউবে সার্চ দিয়ে দেখে নিবেন।
৩. ওয়েবসাইটে হাই কোয়ালিটির থিম কানেক্ট করুন
আপনার সাইটে ডোমেইন এর সাথে হোস্টিং কানেক্ট হয়ে গেছে।
এবার হোস্টিং এর এডমিন প্যানেল থেকে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করতে হবে।
এজন্য প্রথমে আপনার হোস্টিং এর C-pannel এ লগইন করুন।
তারপর একটু নিচে স্ক্রল করলে WordPress দেখতে পাবেন।
সে ওয়ার্ডপ্রেস আইকনে ক্লিক করলে সাথে সাথে আপনার হোস্টিং প্যানেলে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল হয়ে যাবে।
নিচের ছবির মতো ওয়ার্ডপ্রেস এর ড্যাসবোর্ড দেখতে পারবেন।
এখন আপনার সাইটের জন্য একটা থিম চয়েজ করবো।
আপনি যদি প্রফেশনালভাবে ব্লগিং বা কোনো এজেন্সি চালাতে চান তাহলে একটা প্রিমিয়াম থিম কিনবেন।
আর, এখন কিছু ফ্রি থিম আছে যেগুলোতে ব্লগিং করতে চাইলে কোনো সমস্যা হবে না।
তাছাড়া থিমগুলোতে ভালো রেসপন্স পাবেন।
ভালো কোয়ালিটির একটা থিম সেটআপ করার পর সেই থিমটিকে থেকে কাস্টমাইজ করতে হবে।
যারা একেবারেই নতুন তাদের ক্ষেত্রে এই কাজটি খুব কষ্টকর হয়ে যায়।
যেহেতু আজকের এই পোস্টটির মাধ্যমে আপনাদের সাথে সবকিছু শেয়ার করা সম্ভব হচ্ছে না।
তাই আপনারা যদি থিম কাস্টমাইজেশন সম্পর্কে জানতে চান তাহলে কমেন্ট করে জানিয়ে দিন।
এছাড়াও একটা ওয়েবসাইটের জন্য অনেকগুলো প্রয়োজনীয় প্লাগিন দরকার হয়।
এবং কোন প্লাগিন কি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় এটাও নতুনদের অজানা থাকে।
তাই থিম কাস্টমাইজেশন থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় প্লাগিন এবং প্লাগিন সেটআপ নিয়ে পরবর্তী পোস্টে আলোচনা করা হবে।
ওয়ার্ডপ্রেস সাইট তৈরি করুন এক দিনেই ✅
আপনি যদি উপরের আলোচনা থেকে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে না পারেন তাহলে আমাকে বলতে পারেন।
আমি একদিনের ভিতর ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করে দেব। এমনকি অ্যাডভান্স এসইও সেটিং করে দেব।
আর আপনি যদি চান কিছু কনটেন্ট পাবলিশ করে সেই ওয়েবসাইট থেকে গুগল এডসেন্স দ্বারা মনিটাইজেশন করে ইনকাম করবেন তাহলে আমার থেকে রেডি ওয়েবসাইট কিনে নিতে পারেন।
হ্যাঁঁ, ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে খুব সহজে যেকোনো ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয় সে ব্যাপারে উপরে বিস্তারিত আলোচনা করা আছে।ওয়েব ডেভেলপমেন্ট নাকি ওয়ার্ডপ্রেস কোনটি ভালো?
আপনি যদি ওয়েবসাইট তৈরি করে ইনকাম অথবা বিজনেস করতে চান তাহলে আপনার জন্য ওয়ার্ডপ্রেস ভালো। আর আপনি যদি ডেভেলপার হিসেবে ইনকাম করতে চান তাহলে আপনার জন্য ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ভালো হবে।ওয়ার্ডপ্রেস কি ওয়েব সার্ভার
না! ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা সি এম এস। যেখানে সচরাচর ভাবে যে কোন প্রকার ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। এবং সেই সাইটটিকে একটি সার্ভারে হোস্ট করতে হয় যেটাকে ওয়েব সার্ভার বলা হয়।
শেষ কথাঃ
আপনি কি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে একটা ওয়েবসাইট তৈরি করতে চাচ্ছেন? তাহলে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করার স্টেপ বাই স্টেপ গাইড দেখে নিন।
এবং সহজেই একটি ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলুন। সবকিছুর বিস্তারিত এই পোষ্টের মধ্যে রয়েছে।
আশা করি এই পোস্টটি আপনাদের ভালো লাগবে। যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে শেয়ার করে দিন ধন্যবাদ।
–বাজারে ঘুরছিলাম, -হঠাৎ গণিত স্যারের সাথে দেখা🤓 -স্যার :ফ্লেক্সিলোডের দোকানটা কোন দিকে একটু বলতে পারবা?😶
-আমি:অবশ্যই স্যার,এইতো ২৭৮° ডিগ্রি ঘুরে যান।তারপর ৩০ মিটার -হাটুন। উৎপন্ন কোণ কে পিথাগোরাস এর সূত্রে ফেলে বর্ধিত করুন। -tan থিটার আসন্ন মানের অনুপাতে যে রাস্তাকে ছেদ করেছে তাকে -সমদ্বিখন্ডিত করে ৫০ মিটার হাটুন। -সেখানেই দোকান।😄 _স্যার বেহুশ! -উফ মনে মনে কি যে শান্তি লাগতেছে😜
একবার এক মেডিকেলের ছাত্র ছাত্রীদের প্রাক্টিক্যাল ক্লাস চলতেছে। প্রাক্টিক্যালের জন্য একটি ম**রা কুকুর নিয়ে আসা হলো। প্রফেসর সাহেব হঠাৎ করে সেই কুকুরের পিছন দিয়ে নিজের আঙুল ঢুকিয়ে দিলেন। তারপর আঙুল নিজের মুখে দিলেন৷
এরপর সব ছাত্র-ছাত্রীদের এই কাজ করতে বললেন৷ স্যারের ভয়ে সবাই তাদের আঙুল ঐ মৃত কুকুরের পিছন দিকে ঢুকিয়ে দিয়ে, যার যার মুখে দিলো।
এরপর স্যার বললেন, “বুঝছো”! মেডিকেলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন হল মনোযোগ। তোমরা যদি মনোযোগ দিতা তাহলে বুঝতা যে আমি আমার মিডল ফিঙ্গার ঢুকাইছি আর তর্জনী আঙুল আমার মুখে দিছি!! এখন থেকে মনোযোগ দাও৷ ছাত্র-ছাত্রীরা সব বেহুশ আর এরই নাম মনোযোগ৷
তাই কারো পেছনে আংগুল না দিয়ে মনোযোগ দিয়ে নিজের কাজ করেন, সাফল্য অনিবার্য 🙂